1. admin@muhurto.tv : muhurtotv :
  2. smbabu.mcj@outlook.com : S M Babu : S M Babu
মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ০৭:১৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ মুহূর্তঃ
রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের এি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত মহানগরীর পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন রাসিক মেয়র ও আরএমপি কমিশনার খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় রাজশাহীতে দোয়া মাহফিল রাসিক মেয়র ও আরএমপি কমিশনারের প্রতিমা বিসর্জন পরিদর্শন রাজশাহীতে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের মাঝে সাদাছড়ি বিতরণ দুর্গাপূজায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় রাজশাহীতে বিজিবি মোতায়েন আরএমপির সিআরটি সদস্যদের সাতদিনের মেন্টরশিপ কোর্স শুরু ইউএনও’র হস্তক্ষেপে শেষযাত্রায় অজ্ঞাত মরদেহের পরিচয় মিলেছে মাদ্রিদে বাংলাদেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ভ্রাতৃ সমাবেশ প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের অনুদানের চেক বিতরণ করলেন বসিক মেয়র

খুলনায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

স্বপ্না সরদার, সংবাদ মুহূর্ত, খুলনা।
  • তথ্য হালনাগাদের সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১
  • ৫৩ প্রদর্শিত সময়ঃ

খুলনার দাকোপ উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ দু’জন সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই দু’জন শিক্ষা কার্যালয়ে থাকা জাতীয়করণ সরকারি শিক্ষকদের সার্ভিস বহিতে হাতে লিখে উচ্চতর গ্রেডসহ টাইমস্কেল প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত করে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী শিক্ষকেরা তাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এর আগেও অনিয়মের অভিযোগ তুলে এক প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এরমধ্যে দু’জন সহকারী শিক্ষক হচ্ছেন চালনা এনসি ব্লু-বার্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পল্লব কুমার বিশ্বাস ও বটবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষ্ণুপদ সরকার।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে পল্লব বিশ্বাস ও বিষ্ণুপদ সরকার টাকার বিনিময়ে উপজেলা হিসাবরক্ষণ কার্যালয় থেকে জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের সার্ভিস বহিতে উচ্চতর গ্রেডসহ টাইমস্কেল পাশ করায়। পরবর্তীতে চুক্তি অনুযায়ী শিক্ষকরা টাকা দিতে অনীহা প্রকাশ করলে তাদের সার্ভিস বহিতে পল্লব বিশ্বাসের কথামত বিষ্ণুপদ সরকার নিজ হাতে লিখে পূর্বের অবস্থানে রেখে দেয়। এছাড়া অনলাইন থেকে ভূক্তভোগী শিক্ষকদের বেতন-ভাতার তথ্য মুছে দেয় তারা। হাইকোর্টের নির্দেশে উচ্চতর গ্রেডসহ টাইমস্কেল অনলাইনে ফিক্সেশন করা বন্ধ থাকায় আর সমাধান করা সম্ভব হয়নি। তাদের এই অনৈতিকতার কারণে উচ্চতর গ্রেডসহ টাইমস্কেল থেকে বঞ্চিত শিক্ষকরা।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিষ্ণুপদ সরকার বলেন, ২০১৪ সালে সহকারী শিক্ষকদের উন্নীত গ্রেড সংশোধনের জন্য তৎকালীন শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশে ১৮৫ জনের সার্ভিস বহি লিখে দেন তিনি। তবে তাতে কোনো অনিয়ম করেননি বলে দাবি তার।

এদিকে ইউএনওর কাছে দেওয়া অভিযোগে দেখা গেছে, শিক্ষক সমিতির নাম করে সহকারী শিক্ষক পল্লব কুমার বিশ্বাস ও পানখালী-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এসএম শফিউল আজম সেলিম প্রধান শিক্ষকদের ভয় দেখিয়ে বরাদ্দকৃত সকল বিলের ওপর অলিখিত উৎকোচ নিয়ে থাকে। যা জুন মাসে তাদের কাছে পরিশোধ করতে হয়। ২০১৮ সালের টিএলএম সামগ্রী থেকে ৫০০ টাকা, স্লিপ কার্যক্রম সামগ্রী থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকা, স্কুল কনটেজেন্সি থেকে ২০০ টাকা, টিএ/ডিএ বিল থেকে ১০০ টাকা, রুটিন মেইনটেনেন্স বিল থেকে এক হাজার টাকা, টয়লেট মেরামত বিল থেকে দুই হাজার টাকা, বিল পাশ বাবদ দুই হাজার টাকা, সমিতির ভবন নির্মাণ বাবদ প্রত্যেক প্রধান শিক্ষক কাছ থেকে এক হাজার টাকা ও সহকারী শিক্ষকদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা উৎকোচ নেয়। এভাবে ২০১৬ ও ২০১৭ সালে টাকা আদায় করে থাকে।

কালাবগী আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি এসএম আনিসুর রহমান জানান, আমার স্কুলে চারজন শিক্ষকের বিল করে দেওয়ার কথা বলে তিন লাখ ৪০ হাজার টাকা উৎকোচ নেয় পল্লব বিশ্বাস ও এসএম শফিকুল আজম। পরে জানতে পারি সরকারি বিল করতে কোনো প্রকার টাকার প্রয়োজন হয়নি। এ ব্যাপারে অভিযোগ করেও কোনও প্রতিকার মেলেনি। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেও ক্ষমতাসীন দলের ছত্রছায়ায় পার পেয়ে যায়।

জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক এসএম শফিউল আজম সেলিম বলেন, যেসব অভিযোগ উঠেছে তা সত্য নয়। যদি কেউ অভিযোগ করে থাকে, তাহলে তদন্তপূর্বক প্রমাণিত হলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে।

এ ব্যাপারে সহকারী শিক্ষক পল্লব কুমার বিশ্বাস মুঠোফোনে বলেন, আমি একজন সহকারী শিক্ষক দুর্নীতি করব কীভাবে। কিছু শিক্ষক আমাকে ফাঁসাতে পরিকল্পিতভাবে এসব অভিযোগ করছে।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. অহিদুল ইসলাম বলেন, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছি। উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। করোনাকালীন লকডাউন থাকায় কোনো কার্যক্রম চলছে না। তবে স্বাভাবিক হলে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দেওয়া হবে। এতে প্রমাণিতে হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে কর্তৃপক্ষ।

জানতে চাইলে দাকোপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিন্টু বিশ্বাস বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম শেষে প্রতিবেদন পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

খবরটি আপনার স্যোশাল টাইমলাইনে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও অন্যান্য খবর
কপিরাইট © ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত মুহূর্ত কমিউনিকেশনস লিমিটেড।
error: কপি/রাইট ক্লিক এর অনুমতি নাই !!!