1. admin@muhurto.tv : muhurtotv :
  2. smbabu.mcj@outlook.com : S M Babu : S M Babu
মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৩৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ মুহূর্তঃ
রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের এি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত মহানগরীর পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন রাসিক মেয়র ও আরএমপি কমিশনার খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় রাজশাহীতে দোয়া মাহফিল রাসিক মেয়র ও আরএমপি কমিশনারের প্রতিমা বিসর্জন পরিদর্শন রাজশাহীতে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের মাঝে সাদাছড়ি বিতরণ দুর্গাপূজায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় রাজশাহীতে বিজিবি মোতায়েন আরএমপির সিআরটি সদস্যদের সাতদিনের মেন্টরশিপ কোর্স শুরু ইউএনও’র হস্তক্ষেপে শেষযাত্রায় অজ্ঞাত মরদেহের পরিচয় মিলেছে মাদ্রিদে বাংলাদেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ভ্রাতৃ সমাবেশ প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের অনুদানের চেক বিতরণ করলেন বসিক মেয়র

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে অবৈধ বালুকারবারীদের দাপট চরমে

সৈয়দ মাসুদ, সংবাদ মুহূর্ত, রাজশাহী।
  • তথ্য হালনাগাদের সময়ঃ সোমবার, ২১ জুন, ২০২১
  • ৬২ প্রদর্শিত সময়ঃ

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বন্ধ হচ্ছে না অবৈধ বালুকারবার। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সহযোগিতায় একটি সিন্ডিকেট অবাধে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় এই অবৈধ বালুকারবার চলছে। এছাড়াও তাদের দৌরাত্বে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ও বালুমহালের বৈধ ইজারাদাররা। অবৈধ বালুকারবারের প্রতিবাদ করলে নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে তাদের। এতে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন বৈধ বালুমহাল ইজারাদাররা।

এই অবৈধভাবে বালুকারবার বন্ধের দাবি জানিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে এলাকাবাসী। রোববার গোদাগাড়ী পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডবাসীর পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসককে দেয়া স্মারকলিপিতে পৌরসভার তিনজন কাউন্সিলর আব্দুল জাব্বার, এমদাদুল হক ও জাহানারা বেগম ছাড়াও জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-২ রবিউল আলম স্বাক্ষর করেছেন।

জানা গেছে, একটি সিন্ডিকেট গোদাগাড়ী উপজেলার জোতগোসাইদাস ও ভগবন্তপুরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, মজুদ এবং সেখান থেকে পরিবহন করছে। স্থানীয় প্রভাবশালী আনারুল বিশ্বাস ও তার ছেলে রোমেন বিশ্বাস এই বালু সিন্ডিকেটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। স্থানীয় আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের কিছু নেতা ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের অবৈধ সুবিধার মাধ্যমে ম্যানেজ করে তারা অবাধে চালিয়ে যাচ্ছে এই অবৈধ বালুকারবার। তাদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে এলাকাবাসীসহ বালুমহালের বৈধ ইজারাদাররা।

স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, পদ্মা থেকে প্রতিদিন অবৈধভাবে উত্তোলন করা হচ্ছে বালু। এতে ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় পড়েছে পদ্মার তীর রক্ষা বাঁধ, মাদ্রাসা ও মসজিদ। এছাড়াও নদী ভাঙনের হুমকির মুখে পড়েছে তিনটি গ্রাম।

নদী ভাঙন ছাড়াও ভারি ট্রাক-লরি ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচলের কারণে এলাকার সড়কগুলো ভেঙেচুরে একাকার হয়ে গেছে। দিন-রাত ২৪ ঘণ্টায় বালু পরিবহনের কারণে এলাকার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এছাড়া সড়কগুলো নষ্ট হয়ে বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে সরকারের।

গোদাগাড়ী পৌরসভার এক নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল জব্বার বলেন, প্রশাসনের নাকের ডোগায় এই অবৈধ বালু কারবার চললেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দেয়া হলেও তারা কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না। অবৈধ এই বালু কারবারের সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে এলাকার মানুষ।

এদিকে, অবৈধ বালুকারবারে আর্থিকভাবে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছে বালুমহালের ইজারাদাররা। গোদাগাড়ী উপজেলায় বালুমহাল রয়েছে দুইটি। যা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ইজারা দেয়া হয়েছে। প্রায় ১৩ কোটি টাকায় বালুমহাল দুইটি ইজারা নিয়েছেন জাহাঙ্গীর হোসেন ও হাসিবুর রহমান নামের দুই বালু ব্যবসায়ী। এ উপজেলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন বৈধ বালু ব্যবসায়ীরা।

বালুমহাল ইজারাদার জাহাঙ্গীর হোসেন ও হাসিবুর রহমান জানান, শুধু অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করেই ক্ষান্ত নয় তারা। স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে তাদের বৈধভাবে বালু উত্তোলনে বাধা সৃষ্টি ও নানাভাবে হয়রানি করছে। এতে লোকসানের মুখে পড়েছে তাদের ব্যবসা। অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে ইজারার অর্ধেক অর্থ তোলা দায় হয়ে যাবে বলে জানান তারা।

খবরটি আপনার স্যোশাল টাইমলাইনে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও অন্যান্য খবর
কপিরাইট © ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত মুহূর্ত কমিউনিকেশনস লিমিটেড।
error: কপি/রাইট ক্লিক এর অনুমতি নাই !!!