1. admin@muhurto.tv : muhurtotv :
  2. info@netpeon.org : Ali Siddiki : Ali Siddiki
  3. smbabu.mcj@outlook.com : S M Babu : S M Babu
বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২, ১১:২৩ পূর্বাহ্ন

দানবীয় গর্ত আতঙ্ক ছড়াচ্ছে বিশ্বজুড়ে

বিশ্বময় মুহূর্ত ডেস্ক।
  • তথ্য হালনাগাদের সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন, ২০২১
  • ১৭৫ প্রদর্শিত সময়ঃ

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে নতুন এক আতঙ্কের নাম ‘সিংকহোল।’ গত এক মাসে পাঁচটি দেশে বিশাল দানবাকৃতির গর্ত তৈরি হওয়ার পর আলোচনায় এসেছে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের উৎপত্তিস্থল ও কারণগুলো। সম্প্রতি নানা ঝড়-বৃষ্টি ও ভূমিধ্বসের মতোই বেড়েই চলছে সিংকহোল। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু সংকটের কারণে সরাসরি তার প্রভাব পড়ছে দানবীয় এই গর্ত তৈরিতে। কিন্তু প্রকৃতির মাঝে এমন বিশাল দানবীয় গর্ত তৈরির ঘটনাটি নতুন নয়। বিভিন্ন যুগে যুগে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা গেছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে। তবে বর্তমানে এটার হার বেড়েছে অনেকটাই। 

গেছে বছর ক্রোয়েশিয়ায় ডিসেম্বর মাসে এক ভূমিকম্পের পর একশ’র বেশি সিংকহোল তৈরি হয়। গত এক মাসে মেক্সিকো, তুরস্ক, ইতালি, ইসরায়েলের পর সিংকহোল এবার তৈরি হয়েছে ভারতেও। বিজ্ঞানীদের মতে, কয়েক দশকে এমনকি শতাব্দী লাগে একটি মাত্র সিংকহোল তৈরি হতে। 

ইউএসজিএস বলছে, ভূগর্ভস্থ পানি বা খনিজ উত্তোলন করার ফলে মাটির অভ্যন্তরে ফাঁপা একটি জায়গা তৈরি হয় এবং নিচের স্তরের মাটি যখন ভূমির উপরের অংশের চাপ নিতে পারে না তখনই তা ধসে পড়ে তারপর তৈরি হয় বিশাল আকার গর্ত।

এই প্রকৃতিতে হঠাৎ সিংকহোল তৈরির ঘটনা বেড়ে যাওয়ার কারণ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা মতামত দিয়েছেন, বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রকৃতির স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। বর্তমানে আশঙ্কাজনক হারে এই তাপমাত্রার বৃদ্ধিতে বেড়েছে অনেক খরা এবং সেই সাথে কমেছে পানির স্তর। মাটির ক্ষয়, মিথেন গ্যাসের প্রভাব, অধিক হারে ভূগর্ভস্থের পানি এবং খনিজ পদার্থ উত্তোলনও এর জন্য দায়ী। শহরে সিংকহোল বৃদ্ধির কারণ হিসেবে অপরিকল্পিত ভূগর্ভস্থ সুয়ারেজ লাইন অথবা মাটির নিচে নির্মাণ কাজের কারণেই মনে করা হচ্ছে। 

বিশ্বে সিংকহোল সবচেয়ে বেশি তৈরি হয় যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে। তার পরের অবস্থানেই রয়েছে তুরস্কের কোনিয়া। মাত্র এক বছরেই দ্বিগুণ হয়েছে দেশটির এই বিশাল দানবাকৃতির গর্ত। চলতি বছরেই সন্ধান মিলেছে আরও ছয় শতাধিক সিংকহোলের। চীন এবং রাশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলেও বেশকিছু বিশালাকার গর্ত আছে। 

আরও জানা গেছে, বিভিন্ন এলাকায় সিংকহোলের আকার বা গভীরতা ভিন্ন রকম। শেষ তথ্যানুযায়ী সাইবেরিয়ায় সবচেয়ে বড় সিংকহোলের সন্ধান পাওয়া গেছে। সেখানে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তৈরি হয়েছে বিশাল এই দানব গর্ত।

খবরটি আপনার স্যোশাল টাইমলাইনে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই জাতীয় আরও অন্যান্য খবর
কপিরাইট © ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত মুহূর্ত কমিউনিকেশনস লিমিটেড।
error: কপি/রাইট ক্লিক এর অনুমতি নাই !!!