1. admin@muhurto.tv : muhurtotv :
  2. smbabu.mcj@outlook.com : S M Babu : S M Babu
শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০৮:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ মুহূর্তঃ
খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় রাজশাহীতে দোয়া মাহফিল রাসিক মেয়র ও আরএমপি কমিশনারের প্রতিমা বিসর্জন পরিদর্শন রাজশাহীতে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের মাঝে সাদাছড়ি বিতরণ দুর্গাপূজায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় রাজশাহীতে বিজিবি মোতায়েন আরএমপির সিআরটি সদস্যদের সাতদিনের মেন্টরশিপ কোর্স শুরু ইউএনও’র হস্তক্ষেপে শেষযাত্রায় অজ্ঞাত মরদেহের পরিচয় মিলেছে মাদ্রিদে বাংলাদেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ভ্রাতৃ সমাবেশ প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের অনুদানের চেক বিতরণ করলেন বসিক মেয়র আসছে জুনের আগে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন: পানিসম্পদ উপমন্ত্রী দুর্গাপূজা উপলক্ষে আরএমপি কমিশনারের মতবিনিময় সভা

খুলনার কয়রায় বেড়িবাঁধ ভেঙে পাঁচটি গ্রাম প্লাবিত

স্বপ্না সরদার, সংবাদ মুহূর্ত, খুলনা।
  • তথ্য হালনাগাদের সময়ঃ বুধবার, ২৬ মে, ২০২১
  • ৭৪ প্রদর্শিত সময়ঃ

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে খুলনার কয়রা উপকূলে নদ-নদীতে অস্বাভাবিক হারে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে প্রবেশ করছে পানি। এতে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বুধবার সকাল থেকে স্থানীয়রা বেড়িবাঁধ কোনোমতে মাটি দিয়ে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করলেও দুপুরে জোয়ারে তোড়ে কয়রার দু’টি বাঁধের কিছু জায়গা ভেঙে যায়।

কয়রার মহারাজপুর ইউনিয়ের দশালিয়া গ্রামের মজিবুর মাস্টারের বাড়ির পাশে প্রায় ৫০০ মিটার বাঁধ ভেঙে দশালিয়া, গোবিন্দপুর ও আটরা গ্রাম প্লাবিত হয়। এছাড়া কয়রার দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের আংটিহারা এলাকার শ্রীপদ মন্ডলের বাড়ির পাশে প্রায় ১০০ মিটার বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করছে। এতে আংটিহারা ও খাশিটানা গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া অনেক স্থানে বাঁধ উপচে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, ভরা পূর্ণিমার সঙ্গে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে খুলনার উপকূল কয়রার নদ-নদীতে চার ফুট পর্যন্ত পানি বেড়েছে। নদ-নদী উত্তাল রয়েছে। এ উপজেলার  উত্তর বেদকাশি এলাকার গাতিরভেড়ি, মহারাজপুরের মঠবাড়ি, দশালিয়া, মহেশ্বরীপুরের নয়ানি এই চারটি বেড়িবাঁধ বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বুধবার ভোর থেকেই সুন্দরবন সংলগ্ন নদ-নদী ভাটার সময়ও উত্তাল ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা আরও উত্তাল হয়ে ওঠে। এছাড়া সকাল থেকেই থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে ইতোমধ্যে স্থানীয়রা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরিয়ে নিয়েছেন।

কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনিমেষ বিশ্বাস বলেন, ‘বেড়িবাঁধ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছিল। সে লক্ষে আগে থেকে সংস্কার কাজ চলছিল। আজ যে সকল স্থানে বাঁধ ভেঙেছে দ্রুত মেরামোত করা হবে।’

খবরটি আপনার স্যোশাল টাইমলাইনে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও অন্যান্য খবর
কপিরাইট © ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত মুহূর্ত কমিউনিকেশনস লিমিটেড।
error: কপি/রাইট ক্লিক এর অনুমতি নাই !!!